বাদল দিনের
ছবি ও গান
মধুপর্ণা
তারপর
পরিচিত বর্ষার কাছে রেখে দেবে পিছনের অনেক বছর। নতুন রাস্তার খোঁজে বর্ষা অতিথিশালার
মত। পুরাতন ক্লেদ দেয় ধুয়ে, আর সবুজ চকচকে পাতাদের মত নতুন পথ এসে দেখা দেয় সামনে।
বর্ষার দৃশ্য অক্সিজেনের মত টেনে নেওয়া যায়, নদীর কিনারা টৈটম্বুর, চারপাশে ঘাসেদের
সজীব সামারোহ, ভিজে মাটির দৃশ্য, আর সরু জল কোন দিকে বয়ে যায়, গাছে গাছে পাতাদের আনন্দ
প্রকট। এইসব বর্ষার দিনে নতুন সম্ভবনারা ইতিউতি উঁকি দেয় এখানে ওখানে। পাহাড়ে বর্ষা,
শান্তিনিকেতনে বর্ষা আর মফস্বলী বীরভূমের বর্ষা – একটা ক্যানভাসের উপর অনেক গুলো আঁচরের
মত। একটা ছবি মাথার ভিতর সাজিয়ে নিতে গেলে অনেক বর্ষার দৃশ্য, শব্দের সমাপতন দরকার।
বহু নৈবনৈবচ র ভিতর একটা ছবি যদি প্রস্তুত করা যায় তাহলে অবসরে গাওয়া যায়… রিম ঝিম
ঘন ঘন রে… বরষে…। একটা বর্ষার দিন লিটেরেচার রিভিউ এর মত বহু বহু পুরাতন বর্ষার দিন
মনে করায়। পর পর চলে আসে তারা। বৃষ্টি দিনে গুম্ফা ঘুরে আসার কথা, সাদা শাড়ী কমলা পাড়
উত্তরশিক্ষার দিন, ওল্ড বিল্ডিং থেকে নিউ বিল্ডিং যাতায়াত পাশে কদম্বের গাছ, ভিজে একসা
হয়ে স্কুটিতে ইলামবাজার জঙ্গল, শাল গাছ আর ঘন বৃষ্টিতে পুকুরের জল থৈ থৈ। অনেক শৈশবে
ভিজে এসে ভেজা দশ টাকার নোট শুকোতে দেবার দৃশ্য, ভিজে খোয়াই, পূর্ণ কোপাই, আর জারুল
ফুল। খর বাস্তবের লোকে বলবে, ডিমিস্টিফিকেশনের কথা। রোমান্টিসাইজ করার কুফল ইত্যাদি। কিন্তু...
No comments:
Post a Comment